গোয়েন্দা জালে ধরা পড়লেও বিমানের ট্রাফিক বিভাগের সুমন এখনও বহাল ! ডিজিএম নিরাপত্তার এ্যাকশন : তবুও এমপির আত্মীয়ের ল্যাগেজ কেটে ৫০ হাজার রুপি চুরি

বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ বিমানের ট্রাফিক বিভাগের সুমন গোয়েন্দা জালে ধরা পড়ার পর পালিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। দিব্যি তিনি ডিউটি করছেন। গোয়েন্দা জালে ধরা পড়ার পর সে তার ‘ডি’ পাস, আইডি এবং মোবাইল ফোন সেট রেখে পালিয়ে গেলেও তা জব্দ হয়েছে না তাকে পরবর্তীতে ফেরত দেয়া হয়েছে তা রহস্যজনক।
এ ব্যাপারে জানতে বিমানের ট্রফিক বিভাগের জিএম নূরুল ইসলাম হাওলাদারের সেল ফোনে একাধিকবার ফোন করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিমান সূত্র জানায়, জিএম নূরুল ইসলাম চোখের অপারেশনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
গোয়েন্দা জালে ধরা পড়া বিমানের সুমনের বিরুদ্ধে মানব পাচারসহ বিভিন্ন পাচার কাজে সংশ্লিষ্ট থাকার সুবাধে তার বিরুদ্ধে একাধিক গোয়েন্দা রিপোর্টসহ গত ১৪ জুলাই গোয়েন্দা জালে ধরা পড়ে। সেখান থেকে পালিয়ে গিয়ে আবার বিমানের ট্রাফিক বিভাগে দিব্যি ডিউটি করছেন। বিমান কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
এ দিকে বিমানের বিতর্কিত ডিজিএম নিরাপত্তা মৃধা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নিরাপত্তা বিভাগে কর্মরত কর্মচারীদের ডিউটি টাইড দেয়ায় অনেকের মধ্যে হাপিত্তেস ভাব বিরাজ করছে। কোন কোন নিরাপত্তা সুপারকে শাহজালালের বিভিন্ন কি-পয়েন্টে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে। কুরিয়ার শুল্কায়নে দুজন ম্যারাডোনা নিরাপত্তাকর্মীকে হজ তদারকিতে ডিউটি দেয়া হয়েছে। ফলে কুরিয়ার শুল্কায়ন গেটে বিমানের অদক্ষ নিরাপত্তারক্ষীকে ডিউটি দেয়ায় প্রতিদিন শুল্ক ফাকি দিয়ে পণ্য খালাস হয়ে যাচ্ছে। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিএন্ডএফ তানিম, জাহিদ, নোমান। এদের ওস্তাদ মোখলেস। এই ওস্তাদ মোখলেসকে জসিম নামের এক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মারধর করেছে বলে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা বলে বেড়ান। তবে বিষয়টি সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মোখলেস অস্বীকার করেন।
এ দিকে ডিজিএম (নিরাপত্ত)া নিরাপত্তাজনিত কার্যক্রমে এ্যাকশনে গেলেও শাহজালাল বিমানবন্দরে বিজি-০০৯৫ ফ্লাইটে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্যেও ফেনী-২ আসনের এমপির আত্মীয়ের ল্যাগেজ থেকে ৫০ হাজার রুপি চুরি হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত চলছে।