স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজে গ্রুপে কর্মরত একজন মহিলা রাজস্ব কর্মকর্তা লিজা স্পীডমানরি নামে ফাইল আটকে ঘুষ বাণিজ্য করছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। একজন বহিরাগত এবং একজন সিপাহি তার সাথে আছেন। কিন্ত তিনি সরাসরি সিএন্ডএফ এজেন্টদের থেকে ঘুষ হাতিয়ে নেন বলে জানা যায়। ওই বহিরাগত ও কাস্টমস সিপাই জানান, ম্যাডাম নিজেই সিএন্ডএফ এজেন্ট সরকারদের ফাইলে সই করে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেন।
এ ব্যাপারে জানতে ওই রাজস্ব কর্মকর্তাকে মোবাইলে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি।
এদিকে ৫৫ কেজি সোনা চুরির ঘটনায় ৫ কাস্টমস সিপাইকে বার বার রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিঙাসাবাদ করলেও ১৮ মাস ধরে ওই গুদামে ডিউটি করা কাস্টমস সিপাহি মেহেদি হাসান এবং সুজা (গ্রুপ-৬) এখনও ঢাকা কাস্টমস হাউজে বহাল রাখা হয়েছে। বিমানবন্দর থানা পুলিশ এদেরকে এখনও তলব করেনি। যেকোন সময় তলব করতে পারে বলে পুলিশ জানায়। এর মধ্যে সিপাই মেহেদী হাসান ঢাকা কাস্টমস হাউজে কমিশনারের দপ্তরে ২ সপ্তাহ ডিউটি করার পর বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে গ্রুপ-৪- এ পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাকে ডিসি সমরজিত দাসের কক্ষে ডিউট দেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার তাকে ডিসির কক্ষে ডিউটি করতে দেখা গেছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
