নেপথ্যে জিএম আজিজ : বিমানের নীতিমালা লংঘন করে মাত্র ৪ হাজার টাকায় স্মাগলিংয়ে অভিযুক্ত আকরামের এ এ ট্রেডিংকে ক্লিনিং ইজারা দেয়ার পায়তারা ! পরিচালক (প্রশাসন) দপ্তরে ডেকে নিয়ে কৈফিয়ত তলব

এইচএম দেলোয়ার : বাংলাদেশ বিমানের প্রকল্প ও পূর্ত বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) আজিজুর রহমান আজিজ নেপথ্যে থেকে নীতিমালা লংঘন করে স্মাগলিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি আকরামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ এ ট্রেডিংকে মাত্র ৪ হাজার টাকায় বিমানের ডমেস্টি ভবন ক্লিনিং ইজারা কার্যাদেশ দেয়ার পায়তারা করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। শুধু তাই নয়- বিমানের টার্মিনাল ও অপারেশন ভবনও বিমানের নীতিমালা লংঘন ও আইএলও শ্রমিক নিয়োগ ও বেতনভাতার শর্ত অমান্য করে মাত্র ২৭ হাজার টাকায় ওই আকরামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই গোপন আতাতে কার্যাদেশ দেয়ারও পায়তারা করছে জিএম আজিজ। বার বার টেন্ডার আহবান করেও টেন্ডারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করে গোপন আতাত ও সমঝোতায় বিমানের ক্লিনিং ইজারা দেয়ার পায়তারা অব্যাহত রয়েছে।
এ ব্যাপারে জনৈক এক ঠিকাদারের অভিযোগের ভিত্তিতে জিএম আজিজকে পরিচালক (প্রশাসন) তার দপ্তরে গত সপ্তাহে ডেকে নিয়ে জিঙ্ঘাসাবাদ করলেও জিএম আজিজ তার নীতিতে অটল রয়েছেন। তিনি পরিচালক (প্রশাসন)কে ভুল বঝিয়ে বিমানের নীতিমালা ও আইএলও শর্ত লংঘন করে বিমানের দুিট স্থাপনায় ক্লিনিং ইজারা কার্যাদেশ দেয়ার জন্য অটুট রয়েছেন।
ইতিপূর্বেও বিমানের নীতিমালা লংঘন করে জিএম আজিজ বিমানের একটি স্থাপনায় ফ্রি সার্ভিসে নাহিদ এন্টারপ্রাইজ নামে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ক্লিনিং ইজারা দেয়ায় বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং আদালতের আদেশে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা বাবদ লাখ লাখ টাকা বিমানকে পরিশোধ করতে হয়। বিমানের ওই স্থাপনা বর্তমানে লাখ টাকার ওপরে ইজারা চলছে। অথচ জিএম আজিজ এক সময় ওই স্থাপনা নীতিমালা লংঘন করে ফ্রি সার্ভিসে ইজারা দেয়।
বিমানের ঠিকাদাররা জানান, জিএম আজিজ বিমানে একজন ক্ষমতাধর ব্যক্তি। তিনি দীর্ঘদিন যাবত বিমানের প্রকল্প ও পূর্ত বিভাগের জিএম হিসেবে কর্মরত। তাকে ওখান থেকে সরায় এমন সাধ্য কার ? তিনি তার উর্ধতন কর্তাব্যক্তিকেও থোরাইকেয়ার করেন। তিনি বিমানের বিভিন্ন স্থাপনায় ইজারা দেয়ার ক্ষেত্রে বিমানের নীতিমালা বার বার লংঘন করলেও তার বিরুদ্ধে কৈফিয়ত তলব পর্যন্ত করা হয় না। তিনি বিমানের টার্মিনাল ভবন ক্লিনিং ইজারার নামে ঠিকদারি দুলাল আকরাম, আবুল কাশেমের সাথে আতাত করে ক্লিানারদের মাধ্যমে স্মাগলিংয়ে জড়িয়ে তিনি আংগুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। নামে-বেনামে উত্তরা, মিরপুরসহ রাজধানির বিভিন্ন এলাকায় একাধিক প্লট, ফ্লাটের মালিক বনে গেছেন। তার নারীঘটিত কেলেংকারিও রয়েছে। বিমানের রোমানা নামের সুন্দরী কর্মচারীর সাথে তার অসামাজিক সম্পর্কেও কথা বলাকা ভবনে বেশ চাউর হয়ে গেছে। ক্রমশ