বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্মরত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত রাজনীতির কানেকশন রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ঘুষ-দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বলেও অভিযোগ। ঘুষ ছাড়া তিনি ঠিকাদারি কাজের ফাইলে সই করেন না বলেও অভিযোগ। এর ফসল হিসেবে তার উত্তরা- কাওলাতে তিনটি আধুনিক ফ্লটবাড়ি রয়েছে বলেও অভিযোগ।তার কার্যক্রমে আওয়ামী মাইনডেন্ড কর্মচারিরা চরম হয়রানির শিকার বলেও অভিযোগ। তিনি দীর্ঘদিন যাবত শাহজালালে বসে বিএনপির-জামায়াতের ঘাটি বানালেও তার লাগাম টেনে ধরছে না সিএএবির প্রশাসন। ফলে মাঝেমধ্যেই শাহজালালে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড ঘটে থাকে। সম্প্রতি শাহজালালে ‘জিয়া বিমানবন্দরের নামে নিরাপত্তা স্ট্রীকার’ কেলেংকারিরর সাথেও তার সম্প্রক্ততার আছে কিনা- তা গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে।
অভিযোগে প্রকাশ, ঘুষ ছাড়া তার টেবিল থেকে ঠিকাদারি কাজের ফাইল নড়েচড়ে না। শতকরা হিসাবে তাকে ঘুষ দিতে হয়। তিনি অনেক সময় তার উর্ধতন কর্মকর্তাকেও থোরাইকেয়ার করেন। আবার অনেক সময় কাজ না কাজের ফাইলেও সই করে থাকেন। কিন্ত প্রকৃতপক্ষে ঠিকাদারি কাজের ফাইলে ঘুষ ছাড়া সই করেন না। তার বাড়ি বিশেষ জেলায়- যেখানে জামায়াতের দৌরাত্ম একসময় চরমে ছিল। তিনি ঘুষ-দুর্নীতি করে কোটিপতি বনে গেছেন বলেও অভিযোগ। তিনি এক কর্মচারির সাথে অফিসিয়াল কাজ সংক্রান্ত ব্যাপারে খারাপ আচরণ করেছেন বলেও বিষয়টি চাউর হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে জানতে তার অফিসে গিয়েও তিনি বাইরে থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।ক্রমশ-
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
