শাহজালাল বিমানবন্দরে আবারও এপিবিএন পুলিশের ‘গুলি’: তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া

একুশে বার্তা ডেক্স : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মানুষের ভিড়ে পুলিশের এক কর্মকর্তার আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।  ৫ মে  শনিবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের হেঙ্গার গেটের এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে গুলিতে কেউ হতাহত হয়নি।

এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই ) আবদুল লতিফের আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলিটি বের হয়। এ ঘটনায় রাতেই তাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মানুষের ভিড়ে পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি বের হওয়ার পর উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এদিক-সেদিক ছুটতে থাকেন।

এপিবিএন’র এসপি মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বলেন, বিমানবন্দরের হেঙ্গার গেটে কর্মরত ছিলেন এএসআই আবদুল লতিফ।  শনিবার  সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ভুলবশত: তার রাইফেল থেকে এক রাউন্ড গুলি বেরিয়ে মেঝেতে লাগে। এ সময় উপস্থিত কর্তব্যরতরা কিছুটা আতঙ্কগ্রস্ত হলেও কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনাটি মিসফায়ার বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও শাহজালাল বিমানবন্দরে এপিবিএন পুলিশ নিজেদের মধ্যে গোলাগলি করে। এ ঘটনায় শাজাহান নামে একজন নায়েককে প্রত্যাহার করা হয়।আবার দ্বিতীয়বার গুলির ঘটনা ঘটলো। বিমানবন্দরে ভিতরে অস্ত্র নিয়ে ডিউটি করা ‘আইকাউ’ আইনে বারণ করা হলেও শাহজালাল বিমানবন্দরের ভিতরে এপিবিএন পুলিশ  দিব্যি সশস্ত্র ডিউটি করছে।

এই বাহিনীর প্রধান শাহজালাল বিমানবন্দরে দীর্ঘদিন কর্মরত থাকলেও  রহস্যজনক কারনে তাকে বদলি করা হচ্ছে না। এপিবিএন বাহিনীর সদস্যরা বিদেশগামি যাত্রীদের পাসপোর্ট, টিকিট, ভিসা চেকিং করার নামে হয়রানি করে থাকে বলে অভিযোগ ওঠছে। এপিবিএনর  সিভিল টিম সদস্যরা বিদেশগামি যাত্রী হয়রানির ফলে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট যাত্রী ফ্লাইট সময়মতো ধরতে না পেরে ‘অফলোড’ হয়ে ক্ষতির সন্মুখিন হচ্ছেন বলেও অভিযোগ শোনা যায়।

এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।