বিশেষ সংবাদদাতা : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের ২৬ কর্মী- যারা দীর্ঘদিন যাবত প্রভাব খাটিয়ে শাহজালালে কর্মরত মানব পাচারে জড়িত। কিন্ত সিএএবির প্রশাসন তাদেরকে আগলে রেখেছে। ডিডি প্রশাসন এদেরকে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সুবিধা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। ডিডি প্রশাসনের কথিত ভাগিনা হাকিম সোনা পাচারের দায়ে গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন। কিন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাচারকারিদের তালিকায় তার নাম নেই। গত ১৮ জুন মন্ত্রনালয় থেকে এদের তালিকা পাঠিয়ে এদেরকে বিমানবন্দরে প্রবেশে নিষেধাঙ্ঘা জারি করলেও তারা দিব্যি শাহজালাল বিমানবন্দরেই চাকরি করছেন। যদিও সদস্য প্রশাসন এই পাচাকারিদের তালিকা পাবার কথা স্বীকার করেছেন। কিন্ত তার দায়িত্বভাতা প্রাপ্ত পিএ-যিনি দীর্ঘদিন যাবত প্রভাব খাটিয়ে সিএএবির সদর দপ্তরে কর্মরত- সেই হাফিজ এদের বিরুদ্ধে‘ প্রশাসনিক এ্যাকশনে’ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন বলেও শোনা যায়।
মানব পাচারে জড়িত তালিকাভুক্তরা হলেন : অফিস সহকারি হাসান পারভেজ, নিরাপত্তা বিভাগের এএসজি সাইফুল ইসলাম, কবীর হোসেন, পিতা- ইউনুস মিয়া, এএসজি কবীর হোসেন, পিতা- জাহেদুল কবীর, নিরাপত্তা প্রহরি আসাদুজ্জামান খোকন, শাহজালাল সরকার, মনিরুজ্জামান খান, জিল্লুর, বাবুল চন্দ্র দাস, গাজী তোফায়েল, তানভীর হোসেন মিয়া, সোহেল রানা, কাজী মাসুদ, আব্দুল মতিন, ঈদ্রিস মোল্লা, ইয়াবা পাচার মামলায় পলাতক সাখাওয়াত হোসেন তুহিন, আইনুদ্দীন,ফরিদ উদ্দিন, রফিক, মিজানুর রহমান খান, স্ক্যানিং অপারেটর দীপক, ফজলু, শাজাহান, শাহাদত।
এই ২৬ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে গোয়েন্দাা রিপোর্ট হয়েছে। কিন্ত আমলে নেয়নি সিএএবির প্রশাসন। সোনা পাচার, মানব পাচারের অভিযোগে ফৌজধারি ধারায় সংশ্লিষ্ট থানায় কারো কারো বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে, গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে, পলাতক থেকেছে, বিদেশগামি যাত্রীর ডলার মেরে দিয়ে চাকরিচ্যুুত্য হয়েছে, কিন্ত এরপরও চাকরিতে বহাল। ২১ নারি ও শিশু পাচার মামলার আসামি সিএএবির নিরাপত্তা বিভাগের দুই সদস্য এখনও বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। অবশ্য আদালত থেকে মামলা খারিজ হয়েছে।
সিএএবির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা সুপার মাকসুদ তালুকদার বিদেশগামি এক ডাক্তারের ডলার মেরে দেয়ার অভিযোগে চাকরিচ্যুত্য হয়েছেন। আগের দুই মেয়াদের চেয়ারম্যানের কাছে উচ্চ পর্যায়ের তদবির আসলেও তা নাকোচ হয়েছে। কিন্ত বর্তমান সদস্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নিরাপত্তা সুপার মাকসুদ তালুকদার আবার চাকরি ফিরে পেয়েছেন , তাকে সিএটিসিতে বদলি করা হয়েছে, তাকে আবার সিনিয়রদের ডিংগিয়ে পদোন্নতি দেয়ার পায়তারা করা হচ্ছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
