স্টাফ রিপোর্টার : সিভিল এভিয়েশনে বিমান বাহিনী থেকে প্রেষণে কর্মরত সদস্য নিরাপত্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মাহমুদ মান্নাফী এসিএসসি,পিএসসিকে বিমান বাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে বিমান বাহিনীতে কর্মরত এয়ার কমোডর মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান খানকে প্রেষণে সিভিল এভিয়েশনে সদস্য নিরাপত্তা পদে পদায়ন করা হয়েছে। জন প্রশাসন মন্ত্রনালয় হতে এ সংক্রান্ত এক প্রঙাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন উপসচিব আব্দুল্লাহ আরিফ মোহাম্মদ। গত ১ অক্টোবর এ প্রঙাপন জারি করা হয়।
বদলিকৃত গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মাহমুদ মান্নাফী সিএএবির নিরাপত্তা বিভাগে সবার আস্থাভাজন ছিলেন। তিনি নিরাপত্তা বিভাগের কর্মচারীদের চাকরিজীবনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে ভাবতেন এবং একজন অভিভাবকের ভুমিকা পালন করতেন। নিরাপত্তা কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামকে চট্রগ্রাম এয়ারপোর্টে লান্ঞিতকরণের ঘটনায় জোরালো ভুমিকা পালন করেন। তার নেতৃত্বে তদন্ত চলছিল। কিন্ত এই নিষ্ঠাবান ,সদ কর্মকর্তাকে বদলি করায় তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে কিনা- তা অনেককে ভাবিয়ে তুলছে। তিনি সিএএবির নিরাপত্তা বিভাগ ঢেলে সাজানোর কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন। কিন্ত তাকে বদলি করায় সব কার্যক্রম স্তবির হয়ে পড়বে কিনা- তাও অনেককে ভাবিয়ে তুলছে।
পরিচালিক এইচআরের বদলি নাই: সিএএবিতে পরিচালক প্রশাসন, সদস্য প্রশাসন, পরিচালক অর্থ, সদস্য অর্থ, সদস্য পরি. পরি, পরিচালক শাহজালাল বিমানবন্দর বদলির প্রক্রিয়া থাকলেও পরিচালক এইচআর( সৃজনকৃত পদ) সিএএবিতে বদলি নাই। এ পদে সহকারি পরিচালক প্রশাসন হিসেবে সিএএবিতে এক কর্মকর্তা এসে উপপরিচালক প্রশাসন, পরিচালক প্রশাসন/ এইচআর পদে দিব্যি চাকরি করছেন। সহকারি পরিচালক পদে থাকাকালিন সময়ে তার দুর্নীতির ফিরিস্তি নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে বিস্তারিত প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। তার ফাইল থেকে গোয়েন্দা প্রতিবেদন গায়েব হয়ে গেছে বলে শোনা যায়। এবার তার পদোন্নতিতে অডিট আপত্তি ছিল বলে সিএএবিতে কানাঘুষ চলছে। তার কথিত ভাগিনা হাকিম দুই দুইবার স্বর্ন পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়লেও মামাজোরে এখনও বহাল। নিন্দুকেরা বলে বেড়ান তিনি কুমিল্লা ইজমে চলেন, বড় বড় নিয়োগ নিয়েও কথা ভেসে বেড়ায়।তিনি এবার দেড় মাসের ডবল পরিচালক পদে চাকরি করছেন। তিনি মাঝেমধ্যে সিভিল এভিয়েশন ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং ক্লাশ নিয়ে থাকেন। বদলি, পদায়ন নিয়ে কর্মচারিরা তার আচার-ব্যবহারে নাখোশ, কিন্ত চাকরির ভয়ে কেউ মুখ খুলে কিছু বলার সাহস পায় না। তার জোরে অনেককে বার বার বদলি করা হলেও কেউ কেউ বহাল , সিএটিসিতে আশরাফি হিরার নাম সবার মুখে মুখে। কর্মকর্তা মিয়াজি সিএটিসিতে গেড়ে বসেছেন, তাকে বদলি করা হয় না।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
