বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনে চলছে তুঘলকি কান্ড। ট্রেনিং ছাড়াই বসিয়ে দেয়া হচ্ছে স্ক্যানিং মেশিনে অথবা ৭ দিনের ট্রেনিংয়ে আনসার বাহিনীর সদস্যদের কি-পয়েন্টে ডিউটি দেয়া হচ্ছে। আর ‘আইকাও’ আইনের থোরাইকেয়ার করে চলছে সিএএবি কর্তৃপক্ষ। ‘আইকাও’ আইনে একজন স্ক্যানারকে ২০ মিনিট ডিউটি করার পর ৪০ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার স্ক্যানিং মেশিনে বসানোর নিয়ম থাকলেও তা লংঘন করে একজন স্ক্যানারকে দিয়ে একটানা ৬/৭ ঘন্টা ডিউটি করানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ২০২০ ফরমও ফিলাপ করা হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শাহজালালে নিরাপত্তা বিভাগের ডিউটি রোস্টার করে ‘এভসেক’। চলমান রোস্টারের আগের রোস্টারে একটি স্ক্যানিং মেশিনে ৩ জন স্ক্যানার এবং একজন পোস্ট সুপারভাইজারকে দিয়ে ডিউটি করানো হতো। এজন স্ক্যানার ২০ মিনিট ডিউটি করার পর ৪০ মিনিট রেস্ট পেতো। ২০২০ ফরম ফিলাপ করতো, স্ক্যান করে কি কি পেল- তা ওই ফরমে উল্লেখ করতো। কিন্ত বর্তমান ডিউটি রোস্টারে এ সবের বালাই নেই। এ জন্যই কি একটার পর একটা অস্ত্র নিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশের ঘটনা ঘটছে- যা হেভিল্যাগেজ স্ক্যানিংয়ে ধরা পড়ছে না- এ প্রশ্ন সংশ্লিস্টদের।
সূত্র জানায়, মামুনের পিস্তল ঘটনায় হেভিল্যাগেজ মেশিনে ডিউট ছিল নিরাপত্তা রক্ষী মিজানুর রহমান খান ওরফে নয়নের। কিন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে আরেক রক্ষী ফজলারকে- যে আগেই সতর্ক করেছিল তার পোস্ট সুপারকে ‘স্যার আমাকে মেশিনে বসায়েন না, আমি স্ক্যান করতে পারি না, আমার ট্রেনিং নেই’। তার যে ট্রেনিং নেই- এ কথা ডিডি শাহজালালও স্বীকার করেছেন। বিমান ছিনতাই প্রচেষ্টা ঘটনার পুরো সময়জজুড়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিভিআইপি ডিউটি করছিলো সুপার লেহাজ ও রক্ষী ইউনুস হাওলাদার। কিন্ত এ দ’ুজনকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। প্রতিটি ঘটনার সময় ডিএসও রোকন ডিউটি করলেও তাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়নি।
সূত্র জানায়, ‘জিয়ার’ নামে স্টীকার লাগানোর ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট আলোরমুখ দেখেনি। ঘটনার দিন স্টীকার লাগালো নিরাপত্তা সুপার খলিল। কিন্ত ছুটিতে থাকা নিরাপত্তা সুপার লাভলীকে সাসপেন্ড করা হলো।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
