হজ¦ অফিসের ইমেইল থেকে মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক চিঠি গায়েব : নাটেরগুরু কেরানি সোহিল : পুলিশের কাছে মালেকের স্বীকারোক্তি!

বিশেষ সংবাদদাতা : সহকারি হ্জ অফিসার আব্দুল মালেক, কেরানি সোহিল মোহাম্মদ ফেরদৌস-এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি তদন্ত করার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির দাপ্তরিক চিঠি-যা আশকোনা হজ¦ ক্যাম্পের ইমেইলে পাঠানো হয়েছে- তা গায়েব করে দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে। এ ক্ষেত্রে মূখ্য ভুমিকা রেখেছে কেরানি সোহিল বলে হ্জ¦ ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রে জানা গেছে, আশকোনা হজ ক্যাম্পে প্রায় একযুগ ধরে কর্মরত সহকারি হজ¦ অফিসার মো. আব্দুল মালেক, কেরানি সোহিল মোহাম্মদ ফেরদৌস, দীন মোহাম্মদ বিরুদ্ধে দুুর্নীতি তদন্ত করার জন্য গত ২৭ ডিসেম্বরে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব( উন্নয়ন) মো. সাখাওয়াত হোসেনকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিস্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: উসচিব ( সংস্কার) মাহবুব হোসেন, সিনিয়র সহকারি সচিব, প্রশাসন-১ শিব্বির আহম্মদ উছমানি। গঠিত তদন্ত কমিটির দাপ্তরিক চিঠি ‘হজ¦অফিসআশকোনএটদ্যরেটঅবজিমেইলডটকম-’এ পাঠানো দাপ্তরিক চিঠিটি গায়েব করে দেয়া হয়েছে। ফলে হজ¦ ক্যাম্পের ওয়েবে দাপ্তরিক চিঠিটি আর দৃশ্যমান হচ্ছে না।
গত ২ জানুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে কেরানি সোহিল, দীন মোহাম্মদকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তলব করে জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। শীর্ষ এই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সোহিল, তার আপন শ্যালক দীন মোহাম্মদ দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রক্ষার জন্য মন্ত্রণালয়সহ ঘাটে ঘাটে তদবির করছেন বলে সূত্রে জানা গেছে।তবে সোহিলের শ্যালক দীন মোহাম্মদের নাম দুর্নীতির তালিকায় নেঈ ফলে তাকে াার ডেকে জবানবন্দি নেয়া হয়নি। কিভাবে দীন মোহাম্মদের নাম দুর্নীতির তালিকা থেকে বাদ পড়লো তা রহস্যজনক। কারন দুলাভাই-শ্যালক মিলেই আশকোনা হজ¦ ক্যাম্পকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়ে ফেলেছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
এ দিকে সহকারি হজ¦ অফিসার আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। পুলিশের বিশেষ শাখা বিষয়টি তদন্ত করছে।
সহকারি হজ¦ অফিসার মালেক সরকারের সাথেও প্রতারনা করছে। আশকোনা হজ¦ ক্যাম্পের তৃতীয় তলার ডরমেটরিতে তার পরিবার-পরিজন নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করছেন। অথচ তার বেতনর সিটে প্রতি মাসে লিখে দিচ্ছে আমি সরকারি বাসা ব্যবহার করি না। আর সরকার থেকে বাসা ভাড়ার হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। সহকারি হজ¦ অফিসার আব্দুল মালেক যে আশকোনার হজ¦ অফিসের তৃতীয় তলার ডরমেটরি আবাসিক বাসা হিসেবে ব্যবহার করছে তা তিনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। চলবে