উত্তরখানে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে অপহরণ ঘটনায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য : অপহরণকারিচক্র বলছে প্রেমের ঘটনা

স্টাফ রিপোর্টারঃ একটি প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তরখান এলাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়েছে। প্রেম করে আতাউর রহমান ওরফে আতার মেয়ে আবিদা রহমান আন্নি ময়নারটেক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। সে একই এলাকার কলেজ পড়–য়া ১ম বর্ষের ছাত্র পারে জের সাথে প্রেম করে গত ১ মার্চ বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বরিশালে এক মৌলভির মাধ্যমে বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হয় বলে এলাকাবাসি জানান। কিন্ত অপহৃতার বাবা বলছে, এটা অপহরণ ঘটনা। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে উত্তরখান থানায় মূল অপহরনকারি পারভেজসহ অন্যদের আসামী করে মামলাও করেছেন।
অন্য দিকে মামলার আসামিদের অভিযোগ এ ঘটনাটি তারা (বাদি পক্ষ) গোপন রাখে এবং প্রেমিক-প্রেমিকা যুগল বাড়ি ফিরে আসে।
আতা মিয়ার এই কন্যা ইতেপূর্বে প্রেমেরটানে চারবার বাড়ি ছেড়েছে। কয়েকবার থানা পুলিশকে গলদ গর্ম হয়ে ছুটতে হয়েছে। উত্তরখান থানার ওসি মোঃ হেলাল উদ্দিন নিজে উদ্যোগ নিয়ে মেয়েটিকে তার বাবা আতাউর রহমান ওরফে আতা মিয়া এবং মা পারভিনের কাছে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেন। সর্বশেষ গত ১ মার্চ মেয়েটি নিজেই প্রেমিক পারভেজের সাথে ঢাকার বাইরে পাড়ি জমায়। এতে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
ঘটনার এখানে শেষ নয়, এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আতা মিয়া ও তার স্ত্রী পারভিন ‘উদুর পিন্ডি বুদুর ঘারে’ চাপানোর জন্য এলাকার নিরিহ বেশকিছু লোকের নামে ও অজ্ঞাতনামা তথাকথিত কয়েজনের নামে মিথ্যা অপহরণ মামলা নং-৪, তাং-০৪-০৩-২০১৮ইং দিয়ে নজিরবিহীন হয়রানি করছেন। এতে করে এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্টের আশংকা দেখা দিয়েছে। এই মামলায় পারভেজ ও আন্নির প্রেমের ঘটনা ঘটলেও আতা মিয়া এলাকার বাশার, পারভিন, ফজল, কাউসারসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের মামলায় নাম দেওয়ায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসি জানান, আতা মিয়ার পরিবার একটি নগ্ন প্রেমের পরিবার। এই আতা মিয়া নিজ ভাতিজিকে অর্থাৎ আন্নির মা পারভিনকে প্রেমে করে বিয়ে করেছিল। উক্ত মহিলার আরো কয়েকটি বিবাহ হয়েছিল। সে মহিলার ঘরের সন্তান আন্নি, এখন ফ্রি স্টাইলে প্রেম করে যাচ্ছে। বিপাকে পড়ছে এলাকাবাসি, বিভ্রান্ত হচ্ছে ও কষ্ট করছে থানা পুলিশ, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নিরিহ মানুষ। তারা এ প্রেমের ঘটনাকে অপহরণের মিথ্যা মামলা দেয়ায় আতা মিয়ার পরিবারের বিচার দাবি করেছেন ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করছেন।