একুশে বার্তা প্রতিবেদন : জবাবদিহিতার আওতায় আসছে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরীটি (সিএএবি) । এরই ধারাবাহিকতায় সিএএবি গণশুনানির আয়োজন করেছে। আগামিকাল ১১ নভেম্বর এই গণশুনানি সিএএবির এমটিপুলে অনুষ্ঠিত হবে। সিএএবির চৌকস, দক্ষ এবং এভিয়েশন বিষয়ে মেধাসম্পন্ন , সিএএবির সাবেক মেম্বার অপারেশন এন্ড প্লানিং, বর্তমানে সংস্থাটির সর্বোচ্চ পদে আসীন এয়ার ভা্ইস মার্শাল নাইম হাসান এই গণশুনানিতে নেতৃত্ব দেবেন বলে জানা গেছে। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন ‘আইকাও’ সনদ পেয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম স্থান করে নিয়েছে। যিনি জবাবদিহিতায় এবং সাশ্রয়ে আগ্রহী। সিভিল এভিয়েশনকে তিনি একটি মডেলে দাড় করানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। টেন্ডারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এনে গত অর্থবছরে তিনি সিএএবির কোটি কোটি টাকা সাশ্রয় করেছেন বলে জানা গেছে। বর্তমান এই চৌকস কর্মকর্তার চৌকস কর্মকান্ডে নতুন নতুন প্রজেক্ট, জাতির জনকের নামে বংগবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, খানজাহান আলি বিমানবন্দর, শাহজালালে থার্ড টার্মিনাল, কক্সবাজার বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক মান এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
এই কর্মকর্তা জনগণের কাছাকাছি অর্থাৎ জনতার কাছে জবাবদিহিতায় চিন্তাচেতনা থেকে তথা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী সেবার মান উন্নয়ন করতে গণশুনানি আয়োজন করা হয়েছে। কাল রোববার সকাল ১১টায় এই গণশুনানির অনুষ্ঠিত হবে ।
জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিএএবির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান গণ শুনানিতে নিজে উপস্থিত থাকবেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তবে সব গণ মাধ্যমে জনসংযোগ কর্মকর্তা গণ শুনানির বিষয়টি অবহিত করেননি। একজন সিনিয়র সাংবাদিক একটি পত্রিকা থেকে খবর পড়ে সিএএবির এই গণ শুনানিতে উপস্থিত থাকতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, জনসংযোগ কর্মকর্তা গতরাত পর্যন্ত আমাদের হাউজকে গণ শুনানির বিষয়টি অবহিত করেননি। এই জনসংযোগ কর্মকর্তা মুখ দেখে এমনকি তার খাতিরের সংবাদকর্মীদের যে কোন প্রেস ব্রিফিং-এর আমন্ত্রণ করেন বলে এ রকম রেওয়াজ শোনা যায়। আর এ জন্য বিভিন্ন সময়ে তাকে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতার মুখেও পড়তে হয়েছে। অনেক সময় তিনি মন্ত্রণালয়ের দোহাই দিয়ে প্রসংগ আউট করে দেন।
সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রধান বিমানবন্দর শাহজালালে যাত্রী ভোগান্তি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়মতো লাগেজ না পাওয়া, লাগেজ হারানো, লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হওয়া, দেরিতে ফ্লাইট ছাড়াসহ নানা অভিযোগ জমা হচ্ছে প্রতিদিন। দেশের এই বিমানবন্দরে প্রতিদিন প্রায় ২০০ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উড্ডয়ন ও অবতরণ করে। বছরে প্রায় ৫০ লাখ যাত্রী এই বিমানবন্দরটি ব্যবহার করে থাকে।
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সও এ ধরনের গণশুনানির আয়োজন করে আসছে।যাত্রী ভোগান্তি কমাতে কয়েক বছর আগে সরকারের নির্দেশনায় বিমান এই শুনানি শুরু করেছিল। যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
