ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কর্মকর্তার নির্দেশ আমলে নিচ্ছে না পরিচালক : ৫ মাসেও দুর্নীতিবাজ কেরানি সুহিলের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি : সরকারি লাখ লাখ টাকা খরচ করে কর্মচারি কোটায় সৌদি আরব ঘুরে এলেন অফিসার আব্দুল মালেক !

বিশেষ সংবাদদাতা : এবার দুর্নীতিবাজকে আগলে রেখেছেন আশকোনা হজ ক্যাম্পের পরিচালক-বলাবলি করছেন হজ ক্যাম্পের কর্মচারিরা। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কর্মকর্তার নির্দেশে দুর্নীতিবাজ কেরানি সুহিল মোহাম্মদ ফেরদৌসের বিরুদ্ধে গত ৫ মাসেও মামলা করা হয়নি। ফলে ৩ কোটি ১১ লাখ টাকার দুর্নীতি করেও পর পেয়ে যাচ্ছেন কেরানি সুহিল। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত হয়েছে, দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ কেরানি সুহিলের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনে মামলা করার জন্য দুদক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, আশকোনা হজ ক্যাম্পের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে মামলা করার সুপারিশসহ নথি প্রেরণের ৫ মাস অতিবাহিত হলেও কোন সংস্থাই দুর্নীতিবাজ কেরানি সুহিলের বিরুদ্ধে মামলা করেনি।
দুদক এ ব্যাপারে মাঠে নেমেছে, দুর্নীতিবাজ কেরানি সুহিলের ব্যাপারে খোজখবর নিচ্ছে।
এ দিকে দুর্নীতিবিাজ কেরানি সুহিলকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওএসডি করা হলেও তিনি পরিচালক হজ ক্যাম্পের সাথে তার অফিসকক্ষে রাতের বেলা দেখা-সাক্ষাৎ করছেন, মামলা না করার তদবির করছেন- এমন খবর আশকোনা হজ ক্যাম্পে চাউর হয়ে গেছে। আর পরিচালকও ৫ মাসে তার (সুহিল) বিরুদ্ধে মামলা না করায় হজ ক্যাম্পের কর্মচারিরা বলে বেড়াচ্ছেন যে, পরিচালকের সাথে দুর্নীবিাজ কেরানি সুহিলের সম্পর্ক থাকায় পরিচালক তার বিরুদ্ধে মামলা করছে না। শুধু তাই নয়- দুর্নীতিবাজ কেরানি সুহিলের আপন শ্যালক দীন মোহাম্মদকে পরিচালকের পিএ পদে বসানো হয়েছে, পরিচালকের পিএগিরি করছেন কেরানি দীন মোহাম্মদ।
অন্যদিকে দুর্নীতির অভিযোগ আমলেই নেয়া হয়নি সহকারি হজ অফিসার আব্দুল মালেক এবং কেরানি দীন মোহাম্মদের। এদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে মুখথুবড়ে পড়ে আছে।
এবার আবার অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে অফিসার কোটায় নয়- কর্মচারি কোটায় হজ যাত্রীদের সেবার নামে সহকারি অফিসার আব্দুল মালেক সরকারি লাখ লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরব ঘুরে এলেন। আর ধর্ম মন্ত্রনালয়ই কিভাবে সরকারি লাখ লাখ টাকা খরচ করে একজন অফিসারকে কর্মচারি কোটায় হজ যাত্রী সেবায় সৌদি আরব পাঠালেন ? এ নিয়েও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়টি আমলে নিলেই ভালো।
এ দিকে যে পরিচালক দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কর্মকর্তার আদেশকে থোরাইকেয়ার করে ৫ মাসেও মামলা করছেন না- এর কোন জবাবদিহিতার ব্যবস্থা করছে না মন্ত্রণালয়, দীর্ঘদিনেও আশকোনা হজ ক্যাম্প এরা বহাল।