শাহজালালে মানব পাচার: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তালিকা আমলে নেয়া হচ্ছে না : বিমানের সিকিউরিটি , ট্রাফিক হেলপার, কার্গো হেলপার, সিএএবির ২৬ সিকিউরিটি বেপোরোয়া

বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দও দিয়ে মানব পাচারের সংশ্লিষ্টতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন সংস্থার শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারি নাম জড়িয়ে আসলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ঢিলেঢালা ।্ তদন্তের নামে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। বিমানের ট্রাফিক বিভাগের সংখ্যলঘু থেকে মুসলমান হওয়া সুমন এখনও ধরাছোয়ার বাইরে। বিমানের সিকিউরিটি গার্ড আসাদ, পুলিন মিয়া সিরিয়াল নম্বর-৪৪২১ , মাসুদ রানা, সিরিয়াল নম্বর-৪৩৫৮ , ট্রাফিক হেলপার ‘সি’ পালা শাহিন রহমানসহ দালাল বাবুল, বশির হাজি জাহাংগীর মানব পাচার, মুদ্রা পাচার , স্বর্ন পাচার, ল্যাগেজকাটাচক্রের সক্রিয় সদস্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় ।এদের নেপথ্যে রয়েছে চাকরিচ্যুত আতাউর। আতাউর বিমানে এবং সিভিল এভিয়েশনে বার বার চাকরির তদবির করেও চাকরি পায়নি। একটি হত্যা মামলার এফআরআরভুক্ত আসামি হওয়ায় তাকে চাকরিতে নিয়োগ দিতে পারেনি বিমান এবং সিএএবি কর্তৃপক্ষ। বাবুল এবং বশির সদ্য চাকরিচ্যুত একজন পরিচালকের ভাতিজা ও ভাগিনা বলে সূত্রে জানা যায়।
এদের ব্যাপারে জিএম এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস আজিজুর রহমান জানান, এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে বদলি করা হয়েছে।
এ দিকে মানব পাচারের তালিকাভুক্ত সিভিল এভিয়েশনের সিকিউরিটি গার্ড, বর্তমানে সিভিল এভিয়েশনের প্রকৌশল বিভাগ সিভিল ডিভিশন-২-এ কর্মরত মনিরুজ্জামান খান এবং সিকিউরিটি অপারেটের দীপককে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিচালক মোসারেফ হোসেনের দপ্তরে ১ মার্চ তলব করা হয়েছে। এদেরকে হাজির করার জন্য এদেও কর্তৃপক্ষকে দাপ্তরিক পত্র দেয়া হয়েছে।
মানব পাচারে জড়িত তালিকায় সিএএবির যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন : এএসজি সাইফুল ইসলাম,এএসজি কবীর, আসাদুজ্জামান খোকন, দীপক অপারেটর, আমির সুপারভাইজার, মনিরুজ্জামান খান সিকিউরিটি , শাহজালাল সরকার সিকিউরিটি, জিন্নাহ সুপার, ফজলু অপারেটর, শাহজাহান অপারেটর, শাহাদত অপারেটর , ( বর্তমান সিএএবির প্রকৌশ বিভাগের সিডি-২-এ হিসাব বিভাগে কর্মরত। মিজান , সিকিউরিটি/ ফায়ার, মিজানুর রহমান খান , সিকিউরিটি/ ফায়ার অপারেটর, জিল্লুর সিকিউরিটি, বাবুল চন্দ্র দাস সিকিউরিটি, গাজী তোফায়েল সিকিউরিটি, তানভীর হোসেন সিকিউরিটি, সোহেল রানা সিকিউরিটি, কাজী মাসুদ সিকিউরিটি, আব্দুল মতিন সিকিউরিটি, ইদ্রিস মোল্লা সিকিউরিটি, শাখাওয়াত হোসেন তুহিন সিকিউরিটি এবং রফিক। তালিকার বাইরের আরো অর্ধশত সিকিউরিটি মানব পাচারে জড়িত বলে বিভিন্ন সময়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট হয়েছে। ২৬ জনের গোয়েন্দা রিপোর্ট তদন্ত করেছে সহকারি পরিচালক আব্দুর নূর। কিউএ মিজানুর রহমান চট্রগ্রাম, গার্ড  সাইফুলসহ অর্ধ শত মানব পাচারে সংশ্লিস্ট  গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে। চলবে