সিভিল এভিয়েশন : কর্মচারী ফারজানা পেল অফিসারের কোয়ার্টার ! ফারজানার স্বামি এখন সৈয়দপুর থেকে সিএটিসিতে

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে অনিয়মই নিয়মে পরিণত হয়েছে। ফরজানা নামের একজন কর্মচারিকে অফিসারদের কোয়ার্টার ডরমেটরি-১ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কর্মচারিদের আপত্তির মুখেও তা বাতিল করা হচ্ছে না। এ দিকে ফারজানার স্বামি মেহেদি হাসানকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে স্ট্যান্ডরিলিজ করে ঢাকার সিএটিসিতে পোস্টিং দেয়া হয়েছে এবং আজ ২৯ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হবে বলে জানা গেছে। এই দুই কর্মচারিই নাকি সিএএবির প্রশাসন বিভাগের কি পয়েন্টে বসে থাকা এক কর্মকর্তার নেকনজড়ে ও আর্শিবাদে আছেন। যার জন্য চাকরির তিন মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে ফারজানার চাকরি স্থায়ীকরণ করা হয়েছে বলে কর্মচারিরা জানান। আগে ফারজানার স্বামি ছিল সৈয়দপুর। এখন দুইজনই ঢাকায়। এ যেন সোনায় সোহাগা।
এ দিকে সিএএবির সদর দপ্তরের যে কর্মচারি শহিদুলকে স্ট্যান্ডরিলিজ করে সৈয়দপুরে পাঠানো হয়েছে তার সাথে কথা বলতে গত ২৮ অক্টোবর সিএএরি সদর দপ্তরে গিয়েও তাকে না পেয়ে তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সিডি-২-এ কর্মরত শাহাদত শাহিনকে সৈয়দপুরে পাঠানোর প্রক্রিয়া করলেও শেষাবধি সিএএবির সদর দপ্তরের নীরিহ কর্মচারি শাহিদুলকে সৈয়দপুরে পাঠানো হয়েছে।
কামরুলকে ভিত্তিহীন অভিযোগে হয়রানি : একটি ভিত্তিহীন অভিযোগের তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়া এবং তার কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা বলে দাপ্তরিকপত্র প্রশাসনে পাঠানোর পরও সিডি-২-এ কর্মরত কর্মসহকারি াকমরুজ্জামানকে হয়রানি করা হচ্ছে। তার ফাইল ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে ওই ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি দেয়া হচ্ছে না। এ দিকে তার ফাইলে ওই ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার উর্ধতন দুই কর্মকর্তার দাপ্তরিকপত্র আমলে না নেয়ায় ঠিকাদারি কাজে কর্ম সহকারি কারুজ্জামানকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে সিএএবির ঠিকাদারি কাজের তদারকিতে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। কাজের তদারকি না করার দরুন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারা ঠিকাদারি কাজে অবহেলা করছে বলে বলাবলি চলছে।
এ ব্যাপারে সহকারি পরিচালক প্রশাসন-২ রফিকুল ইসলাম জানান, কামরুলের ব্যাপারে বেনামি চিঠি তদন্তে প্রমাণিত না হওয়ার প্রতিবেদন এসেছে, অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে তার উর্ধতন কর্মকর্তারা প্রতিবেদন দিয়েছেন। তাকে ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে রেহাই দেয়া হবে এবং তার ফাইলে তা পুটআপ দেয়া হবে।