বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজে ৩ রাজস্ব কর্মকর্তার স্পীডমানির নামে ঘুষের মহোৎসব চলছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন। ফাইল প্রতি কন্ট্রাক্টে স্পীডমানির নামে ঘুষ আদায় হয়ে থাকে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। ব্যবসায়ীরা জানান, ফাইল বাড়ে ঘুষ বাড়ে। রাজস্ব কর্মকর্তারা বলে বেড়ান স্পীডমানি কোন ঘুষ নয়। এ ক্ষেত্রে তারা সাবেক অর্থমন্ত্রীর কথার উদ্ধৃতি দিয়ে থাকেন। এই ৩ রাজস্ব কর্মকর্তা হলেন: জুনায়েদ’ আসিফ, শ্যামল। এর সাথে আরেকজন রাজস্ব কর্মকর্তার নামও ব্যবসায়ীরা জানান। তিনি হলেন রাজস্ব কর্মকর্তা খোরশেদ। তিনি চাকরিতে থাকাবস্থায় কমপক্ষে কয়েক কোটি টাকার অবৈধ টাকা ইনকাম করেছেন বলেও ব্যবসায়ীরা জানান।্ তিনি এরপিআরে গেলেও ঢাকা কাস্টমস হাউজের চারতলায় বসে দিব্যি অফিস করছেন এবং ৪ মাসে আরো কয়েক কোটি টাকার অবৈধ ইনকাম করছেন বলেও ব্যবসায়ীরা জানান। তিনি অডিট শাখায় কর্মরত থাকার সময় এই অবৈধ টাকা ইনকাম করে কোটিপতি বনে গেছেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন ঢাকা কাস্টমস হাউজে কর্মরত ৩ রাজস্ব কর্মকর্তা জুনায়েদ, আসিফ, শ্যামল ঘুষ ছাড়া আমদানিকৃত খালাসযোগ্য পণ্যের ফাইলে সই করেন না। গুণে গুণে ঘুষ নিযে তবেই ফাইলে সই করে।্ এই রাজস্ব কর্মকর্তারা হাউজ কমিশনারকেও ‘থোরাইকেয়ার’ করেন।
এ দিকে শাহজালাল বিমানবন্দরে আটককৃত পণ্যের (ডিএমকৃত) পণ্য ছাড়করণে যাত্রীরা ব্যাগেজ সুবিধার জন্য আবেদন করলেও ব্যাগেজ সুবিধা দেয়া হচ্ছে ন।্ ব্যক্তিগত লাখ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে পণ্য ছাড়করন করা হচ্ছে । এরমধ্যে যাত্রী সামসুদ্দিনকে ১ লাখ ৩০ হাজার , খোরশেদ আলমকে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং মাসুদকে ১ লাখ টাকার ব্যক্তিগত জরিমানা নিধারণ করেছেন অতিরিক্ত কমিশনার তাসনিমুর রহমান।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
