সিএএবি : সদস্য প্রশাসনের পিএ বলে কথা , হাফিজ এখনও বহাল তবিয়তে!

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে সদস্য প্রশাসনের পিএ হাফিজ এখনও বহাল। তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। নিয়মনীতি লংঘন করে তাকে বেতনভাতার পাশাপাশি দায়িত্বভাতাও দেয়া হচ্ছে। পিএ হাফিজ নিজ্রে দায়িত্বভাতা পাবার কথা স্বীকার করেছেন। এই কেরানির নাম হাফিজ। তিনি সদস্য প্রশাসনের পিএগিরি করছেন। তার বাড়ি খুলনা/কুস্টিয়া এলাকায় হলেও তিনি নিজকে গোপালগনজের লোক বলে জাহির করে থাকেন। চাকরির শুরু থেকেই এই হাফিজ সিএএবির সদর দপ্তরে কর্মরত। তাকে ঢাকার বাইরে কখনো বদলি করা হয়নি। সদর দপ্তরের প্রশাসন বিভাগ তাকে সদর দপ্তরে দীর্ঘদিন ধরে আগলে রেখেছে। গত ৭ মে তাকে সদস্য ফিন্যান্স-এর পিএগিরির পদ থেকে বদলি করে সদস্য প্রশাসনের পিএগিরি পদে বদলি করা হয়েছে।
সদস্য ফিন্যান্সের পিএগিরি করার সময় এই কেরানি হাফিজকে বেতনভাতার পাশাপাশি দায়িত্বভাতাও দেয়া হয়। সদস্য প্রশাসনের পিএগিরি হিসেবে বদলির পর এবং গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার দায়িত্বভাতা বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলছে। আর এ জন্য সহকারি পরিচালক প্রশাসন-২ রফিকুল ইসলাম বললেন, পিএ হাফিজকে দায়িত্বভাতা এখন দেয়া হয় না। এর আগে ডিডি প্রশাসন বলেছিলেন, কেরানি হাফিজের ফাইল দেখে বলতে পারবেন তাকে কিভাবে দায়িত্বভাতা দেয়া হচ্ছে। তবে তিনি এও বলেছিলেন, এটা তো ফিন্যান্সের ব্যাপার আর পিএ হাফিজ তো সদস্য ফিন্যান্সের পিএ হিসেবে আছেন। এর আগে অবশ্য পিএ হাফিজ দায়িত্বভাতা পাবার বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন।
অভিযোগ ওঠেছে যে কোন ফাইল সদস্য প্রশাসনের রুমে ঢুকতে পিএ হাফিজকে নজরানা দিতে হয়। নজরানা ছাড়া ফাইল নড়েচড়ে না। এ ছাড়া চাকরির তদবির করে হাফিজ আংগুল ফুলে কলাগাছ। তার স্বভাব এতো নিচে যে, পিয়নের বকশিসেও ভাগ বসায়। তার স্যার অফিস থেকে যাবার পরে পিএ হাফিজ অফিসে ই টেন্ডার মুসাবিধায় ঠিকাদারদের সহায়তা করে টুপাইস কামিয়ে নিচ্ছে।