বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এবিয়েশনের ইন্ঞিনিয়ারিং বিভাগের সিভিল ডিভিশন-২-এ ঠিকাদারি কাজের উন্নয়নের জোয়ার চোখে পড়ার মতো। টেন্ডার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় এনে কোটি কোটি টাকা সঠিকভাবে ব্যয় করে ডেভেলপমেন্ট ও মেইনটেনেন্স কাজ পুরোদমে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। চৌকস নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুজ্জামানের টিম এ সব উন্নয়নমুলক কাজের তদারকি করছেন। সময় পেলেই চৌকস নির্বাহী প্রকৌশলী- যার চোখ দুটো সদা পড়ে থাকে উন্নয়ন কাজের সাইটে তিনি কাজের অগ্রগতি দেখার জন্য তার টিম নিয়ে সাইটে চলে যান। এটা তার চিরাচরিত অভ্যাস। তিনি তার কর্মচারিদেরও স্বার্থ সংরক্ষণ করে থাকেন। মো. কামরুজ্জামান নামের একজন কার্য সহকারির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে প্রশাসন বিভাগ থেকে বার বার জবাব চাওয়ার পর তিনি তার সঠিক জবাব দিয়েছেন অফিসিয়ালিভাবে। কয়েকজন সহকারি প্রকৌশলী, উপ-সহকারি প্রকৌশলী, কার্য সহকারি কামরুজ্জামানসহ ৪/৫ জন কার্য সহকারি, উচ্চমান সহকারি এরশাদুল করিম এবং হিসাবরক্ষক ইকবাল ওরার্সীসহ সবার সমন্বয়ে টিমের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে সিডি-২-এ উন্নয়নমুলক কাজের ফিরিস্তি চলছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তিনদিকে অর্থাৎ খিলক্ষেত গেট হতে সাউথ টেক্সিওয়ে পর্যন্ত পুরনো নিরাপত্তা প্রাচীর ভেংগে আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশনের ‘আইকাও’ মানদন্ডে ১৮ ফিট উচু করে ৭ হাজার ৮শ’ ৮০ ফিট নিরাপত্তা দেয়ালের কাজ সিংহগতিতে এগিয়ে চলছে। উর্ধতন প্রকৌশলীরা এ কাজ তদারকি করতে গিয়ে অনেকটাই সন্তোষষ্টি প্রকাশ করেছেন।
এ ঠিকাদারি কাজে কয়েক গ্রুপ ঠিকাদার মিলে কাজ করছে। এরমধ্যে মমিন ঠিাদারের নাম সবার মুখে মুখে, উন্নয়নমুলক কাজে ঠিকাদার মমিনের প্রশংসা করছে সিএএবির সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীসহ অন্যান্য ঠিকাদাররাও।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার মমিন একুশে বার্তার এ প্রতিনিধিকে জানান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে সিএএবির সব উন্নয়নমুলক ঠিকাদারি কাজ করে যাচ্ছি। শাহজালালে নিরাপত্তা প্রাচিরের কাজ এমনভাবে করছি- যাতে এ নিয়ে কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলতে না পারেন। তার সাথে এ সব উন্নয়নমুলক কাজের অংশিদার অশ্রুর নামও সবার মুখে মুখে।
সিডি-২-এর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর সাথে আলাপ করে এবং সাইট ঘুরে জানা যায়, সিডি-২ ইতিমধ্যেই চোখে পড়ারমতো উন্নয়নমুলক কাজ করেছে এবং করছে। এরমধ্যে কাওলার কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে, কুর্মিটোলা ও ঈশাল কলোনী এবং বনানী আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহ, পয়:নিষ্কাশন এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ শেষ করা হয়েছে। সিএএবির কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রক্ষার্থে ঈর্শাল কলোনি হতে খিলক্ষেত পর্যন্ত এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মধ্যকার সীমানালাইন বরাবর সীমানাপ্রাচীর গড়ে তোলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কথা হয় নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুজ্জামানের অফিসকক্ষে। তিনি জানান , টেন্ডারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে সঠিক তদারকির মাধ্যমে সিডি-০২-এ উন্নয়নমুলক কাজ এগিয়ে চলছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
